পোস্টগুলি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জয়কুমার জমিদার বাড়ি, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ছবি
জয়কুমার জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। জয়কুমার জমিদার বাড়ি সাধারণ তথ্য ধরন বাসস্থান অবস্থান নাসিরনগর উপজেলা শহর বুড়িশ্বর, নাসিরনগর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দেশ বাংলাদেশ খোলা হয়েছে ১৮৮০ শতকে স্বত্বাধিকারী অজানা কারিগরী বিবরণ পদার্থ ইট, সুরকি ও রড ইতিহাস প্রায় ১৮৮০ শতকের দিকে এই জমিদার বংশ ও জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে কার দ্বারা এই জমিদার বংশ ও বাড়ির গোড়াপত্তন তার কোনো সঠিক তথ্য জানা যায়নি। বর্তমান অবস্থা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় বুড়িশ্বর ইউনিয়ন এর বুড়িশ্বর গ্রামের উত্তরে অবস্থিত, যা বড়বাড়ি নামে পরিচিত।

হরষপুর জমিদার বাড়ি

হরষপুর জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সরাইল উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। হরষপুর জমিদার বাড়ি বিকল্প নাম দেওয়ান মঞ্জিল সাধারণ তথ্য ধরন বাসস্থান অবস্থান সরাইল উপজেলা শহর সরাইল উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা দেশ বাংলাদেশ খোলা হয়েছে অজানা স্বত্বাধিকারী অজানা কারিগরী বিবরণ পদার্থ ইট, সুরকি ও রড ইতিহাস কত সালে এবং কে এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেছেন তার কোন সঠিক তথ্য জানা যায়নি। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের হরষপুর গ্রামে হওয়ায় এর নাম হরষপুর জমিদার বাড়ি। তবে স্থানীয়রা এটিকে দেওয়ান মঞ্জিল নামে ডেকে থাকেন।

বর্ডার হাট | কসবা সীমান্ত হাট | কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশ-ভারত বর্ডার হাট ( Bangladesh-India Border Haat ) দুই দেশের যৌথ মালিকানার ভিত্তিতে পরিচালিত একটি আন্তঃসীমান্ত বানিজ্য এলাকা। ২০১৫ সালে ১১ই জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তের ২০৩৯ নং পীলার সংলগ্ন তারাপুর-কমলাসাগর সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বর্ডার হাটের উদ্বোধন করা হয়। সপ্তাহের একদিন বিভিন্ন পণ্য কেনা-বেচার পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের জন্য একটি মিলন মেলা হিসেবে পরিচিত এই বর্ডার হাট। অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি ছয় মাসে এই হাট থেকে প্রায় দুই কোটি থেকে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় ও বাংলাদেশী পণ্য কেনাবেচা হয়ে থাকে। বর্ডার হাটে ভিসা বা পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তবর্তী ৫ কিলোমিটার এলাকার মানুষের প্রবেশের অনুমতি থাকলেও আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা ভারতীয় পণ্য ক্রয় করে থাকে। কিভাবে যাবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে বাস অথবা সিএনজি দিয়ে কসবা পৌরশহরে যাবেন। তারপর পায়ে হেঁটে তাঁরাপুর সীমান্তের বর্ডার হাটে পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়া  কসবা রেলষ্টেশনে নেমে কয়েক মিনিট পায়ে হেঁটেই তারাপুর-কমলা সাগর সীমান্ত হাট যেতে পারবেন। বর্ডার হ...

আখাউড়া স্থল বন্দর

ছবি
আখাউড়া স্থল বন্দর, ভারতের ত্রিপুরা, আসাম সহ ৭টি রাজ্যে প্রবেশের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত স্থলবন্দর। আগরতলা-আখাউড়া সীমান্তে বিকালে অনুষ্ঠিত (বিএসএফ) ও (বিজিবি) এর যৌথ কুচকাওয়াজ। ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়সহ ৭টি রাজ্যে প্রবেশের অন্যতম দ্বার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর। ১৯৯৪ সালে চালু হয় এই স্থল বন্দরটি। এই স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন মাছ, পাথর, সিমেন্ট, ইট, বালি, শুটকী, প্লাস্টিক সামগ্রী, তুলাসহ প্রায় ৪২টি বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রফতানি হতো। এসব পণ্য রফতানি করে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে বাংলাদেশ।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ট্রানজিট চুক্তি সাক্ষরিত হওয়ায় এই স্থল বন্দরের গুরুত্ব ও পণ্য পরিবহনের পরিমান প্রচুর বেড়েগেছে। ১৯শে এপ্রিল ২০১১ থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পন্য পরিবহন আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় । পন্য পরিবহন হলেও এর মাশুল নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা | গোকর্ণ নবাব বাড়ি কমপ্লেক্স

ছবি
সৈয়দ শামসুল হুদা কে.সি.আই.ই (১৮৬২-১৯২২) একজন ব্রিটিশ ভারতীয় মুসলিম রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা, নাসিরনগর উপজেলার অন্তর্গত গোকর্ণ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে ত্রিতল বিশিষ্ট ভবনটি 'গোকর্ণ নবাব বাড়ি কমপ্লেক্স' নামে পরিচিত। পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কুমিল্লা জেলার অন্তরভুক্ত ছিল এবং ভারত বিভাজন এর পূর্বে পার্বত্য ত্রিপুরার অন্তর্গত ছিল। নবাব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা কে.সি.আই.ই. ১৯২১ সালে অবিভক্ত বাংলার সংস্কারকৃত লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের  প্রথম  ভারতীয় মুসলিম প্রেসিডেন্ট জন্ম ১৮৬২ ব্রাহ্মণবাড়ীয়া মৃত্যু ১৯২২ কলকাতা যাদের দ্বারা প্রভাবান্বিত জেরেমি বেন্থাম, উয়িলিয়াম অস্টিন এবং উইলিয়াম ব্লেকস্টোনের, হাফিজ যাদেরকে প্রভাবিত করেছেন মুসলিম লিগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য তার পিতা সৈয়দ রিয়াজত উল্লাহ সাপ্তাহিক দূরবীনের সম্পাদক ছিলেন। জ্ঞানার্জন সৈয়দ শামসুল হুদা তার নিজ গৃহে পিতার নিকট থেকে আরবি, ফারসি, উর্দু, বাংলা ও ইসলাম বিষয়ক প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করেন। তিনি ঐতিহ্যগত শিক্ষা সমাপনের জন্য হুগলী মাদ্রাসায় ভর্তি হন। আধুনিক শিক্ষ...

ঘাগুটিয়া পদ্মবিল - আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম ঘাগুটিয়া। আর ওপারেই ভারতের পশ্চিম ত্রিপুরার আমতলী থানার মাধবপুর গ্রাম। বাংলাদেশ-ভারতের এই দুটি গ্রামের মাঝখানেই এই বিশাল ঘাগুটিয়া পদ্ম বিলের (Ghagutia Poddo Beel) অবস্থান যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে। তবে বিলটার একটা বড় অংশই পড়েছে বাংলাদেশের ঘাগুটিয়া গ্রামে। হিন্দু ধর্মালম্বীদের দুর্গা দেবীর পূজায় কাজে লাগে এই পদ্ম ফুল। সে জন্য আশ্বিন মাসে এ বিল থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মানুষ প্রচুরসংখ্যক পদ্ম ফুল সংগ্রহ করে থাকে। ভারতের স্থানীয় বাজারে এসব পদ্ম বিক্রিও হয়। ঘাগুটিয়া পদ্মবিল এর আগে আরেকটি ছোট পদ্মবিল এর দেখা পরে সেটা স্থানীয়দের কাছে মীনারকোট পদ্ম বিল নামে পরিচিত। ঘাগুটিয়া বিজিবি চেকপোস্টের ঠিক পিছনেই পদ্মবিলটি অবস্থিত। পদ্ম ফুলের বিলের টানে এখানে প্রতিবছর প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে আসে। দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন পূজার সময়, বিশেষ করে ভারতের লোকজন এসে ওই বিল থেকে পদ্ম ফুল নিয়ে যায়। কখন যাবেন প্রতিবছর আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত ১২০ একর বিস্তীর্ণ ঘাগুটিয়া বিলে পদ্ম ফুল ফোটে। বিল থেকে পানি নেমে গেলে ধীরে ধীরে পদ্মও এ...

হরিপুর বড়বাড়ি এবং হরিপুর রাজবাড়ি

ছবি
হরিপুর বড়বাড়ি , ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলাস্থ হরিপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। ১৮শ শতাব্দীতে প্রাসাদটি জমিদার কৃষ্ণপ্রসাদ রায় চৌধুরী (১৮৭০-১৯৩৬) কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল। ধরন - প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন অবস্থান - নাসিরনগর উপজেলা অঞ্চল - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিচালকবর্গ - বাংলাদেশ সরকার মালিক - বাংলাদেশ সরকার অবস্থান হরিপুর বড়বাড়ি তিতাস নদীর পূর্ব পারে অবস্থিত। বাড়িটি 'হরিপুর জমিদারবাড়ি' বা 'হরিপুর রাজবাড়ি' নামেও পরিচিত। এটি গ্রামের পশ্চিম পার্শে এবং নাসিরনগর সদর হতে ১৫ কিমি দক্ষিণপূর্বে তথা নাসিরনগর উপজেলা ও মাধবপুর উপজেলার সংযোগ পথে অবস্থিত। বিশেষত, বর্ষা মউসুমে যখন পানিতে চারদিক ভরে উঠে তখন এর সৌন্দর্য অনেকাংশে বেড়ে যায়। প্রাসাদটির ভৌগোলিক অবস্থান ২৪° ৬'২৯.৪১"উঃ, ৯১°১৫'২৬.৩৪"পূঃ। নির্মাণশৈলী হরিপুর বড়বাড়ি একটি দুই গম্বুজ এবং ত্রিতল বিশিষ্ট বাড়ি। বারিটির আয়তন এবং আড়ম্বরপূর্ণ স্থাপত্য ঐতিহাসিক যুগের শৈল্পিক নৈপুণ্যের স্বক্ষর বহন করে। প্রাসাদটি প্রায় ৫ একর জমির উপর নির্মিত যাতে ৬০টি কক্ষে নাট্যশালা, দরবার হল, গুদাম, গোশালা, রন্ধনশ...

কাইতলা জমিদার বাড়ি, নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ছবি
কাইতলা জমিদার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। যা আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে। কাইতলা জমিদার বাড়ি সাধারণ তথ্য ধরন বাসস্থান অবস্থান নবীনগর উপজেলা শহর নবীনগর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দেশ বাংলাদেশ খোলা হয়েছে অজানা স্বত্বাধিকারী বিশ্বনাথ রায় চৌধুরী কারিগরী বিবরণ পদার্থ ইট, সুরকি ও রড ইতিহাস রহস্যময়ী কাইতলা জমিদার বাড়ি আজ বিধ্বস্ত বিপর্যস্ত।বিলাসিনী তার আলো ঝলমলে রূপের সাথে হারিয়েছে গৌরবও।বিশ্বাস করতে একটু ভাবতে হয় এক সময় সেই দু'শ বছর পূর্বে ত্রিপুরা রাজার আমলে (অবিভক্ত ভারত শাসনামলে)এটি ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের একটি পূর্ণাঙ্গ জমিদার বাড়ি । ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার বিশাল আয়তনের উপর প্রতিষ্ঠিত কাইতলার প্রাণ কেন্দ্রে ছিল সেই জমিদারের প্রাসাদ । ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতবর্ষের অধীন বৃহওর কুমিল্লার শাসক ছিলেন ত্রিপুরার রাজা বিরেন্দ্র কিশোর মানিক্য। ১৩১৯ সাল থেকে ১৬৬৬ পর্যন্ত ২৪ জন রাজা বৃহত্তর কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া শাসন করেন। সেসব রাজাদের অধীনেই ছিলেন জমিদাররা। আর তাদের অধীনে ছিলেন তালুকদাররা। জমিদারের এ বাড়ি বর্তমানে এলা...

আরিফিল মসজিদ | আড়িফাইল মাজার

ছবি
আরিফিল মসজিদ (আড়িফাইল মসজিদ নামে পরিচিত) বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য যার অবস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার আরিফাইল গ্রামে। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। স্থানীয়ভাবে এটি আইড়ল বা আড়িফাইল নামে পরিচিত। মসজিদটি সরাইল উপজেলা সদরের আরিফাইল গ্রামে সাগরদিঘীর পাশে অবস্থিত। সদর হতে এর দূরত্ব অর্ধ কিলোমিটার। ইতিহাস মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৬২ সালে। স্থানীয় জনশ্রুতি অনুসারে দরবেশ শাহ আরিফ এই মসজিদটি নির্মাণ করেন এবং তার নামানুসারে এই মসজিদের নামকরণ করা হয়। অবকাঠামো মসজিদটির আয়তন ৮০x৩০ ফুট এবং দেয়ালের পুরুত্ব প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট । মসজিদটির মোট প্রবেশপথ ৫ টি , যার তিনটি হল পূর্বদিকে এবং বাকিদুটি যথাক্রমে উত্তর ও পূর্বদিকে। মসজিদের চার কোনায় চারটি বুরুজ রয়েছে। এটিতে মোট তিনটি গম্বুজ রয়েছে। গম্বুজগুলোর নিচে মসজিদের অভভন্তরভাগে তিনটি বে রয়েছে যা ভিতরের অংশকে তিন ভাগে ভাগ করেছে। গম্বুজগুলোতে পদ্মফুল অঙ্কিত রয়েছে। মসজিদের দেয়ালের বাইরের দিকটি চারকোণা খোপ দিয়ে সজ্জিত। এটি সংরক্ষনের জন্য টাইলস ও চুনকাম করা হয়েছে। তবে পূর্বের ...

কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ

ছবি
কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় অবস্থিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল।   কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ বা শুধু কুল্লাপাথর বা কোল্লাপাথর বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সমাধিস্থল। একটি ছোট টিলার উপরে এই সমাধিস্থল অবস্থিত। কসবা বাংলাদেশের একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা যা মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল এবং এর পাশের ভারতের আগরতলা, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থাকার কারণে এ অঞ্চলটি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অন্যতম লক্ষে পরিণত হয়েছিল ফলে অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে এ এলাকায় বেশি যুদ্ধ সংগঠিত হয় এবং বিপুল সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাতবরণ করেন। এখানে দুজন বীরবিক্রম, একজন বীরউত্তম, দুজন বীরপ্রতীক সহ মোট ৪৮ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সমাধি রয়েছে। এখানকার প্রতিটি কবরের উপরেই লেখা রয়েছে মুক্তিযোদ্ধার নাম এবং ঠিকানা। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধা আবদুল করিম এবং তার আত্নীয়রা মিলে তার পৈতৃক ভিটায় মুক্তিযোদ্ধাদের...

আখাউড়া স্থল বন্দর, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ছবি
ভারতের ত্রিপুরা, আসাম সহ ৭টি রাজ্যে প্রবেশের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত স্থলবন্দর। ১৯৯৪ সালে চালু হয় এই স্থল বন্দরটি। এই স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন মাছ, পাথর, সিমেন্ট, ইট, বালি, শুটকী, প্লাস্টিক সামগ্রী, তুলাসহ প্রায় ৪২টি বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রফতানি হতো। এসব পণ্য রফতানি করে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে বাংলাদেশ।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ট্রানজিট চুক্তি সাক্ষরিত হওয়ায় এই স্থল বন্দরের গুরুত্ব ও পণ্য পরিবহনের পরিমান প্রচুর বেড়েগেছে । ১৯শে এপ্রিল ২০১১ থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পন্য পরিবহন আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় । পন্য পরিবহন হলেও এর মাশুল নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।   আয় বাড়লেও পিছিয়ে বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন গত জুলাই মাস থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আখাউড়া স্থলবন্দরের আয় হয়েছে প্রায় ৫৩ লাখ টাকা। দীর্ঘদিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পুরোদমে ভারত থেকে পণ্য আমদানি শুরু হয়েছে। রপ্তানির বিপরীতে আশানুরূপ হারে পণ্য আমদানি হওয়ায় করোনা মহামারির মাঝেও চাঙ্গাভাব বিরাজ করছে দেশের অন্যতম বৃহৎ এ স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে। এতে করে বন্দ...

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান রেলওয়ে সেতু বা ভৈরব দ্বিতীয় রেলওয়ে সেতু

ছবি
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান রেলওয়ে সেতু বা ভৈরব দ্বিতীয় রেলওয়ে সেতু  বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব ও আশুগঞ্জ   উপজেলার মাঝে মেঘনা নদীর উপর অবস্থিত একটি রেলওয়ে সেতু। ইতিহাস ২০১৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইনের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় ভৈরব রেল সেতুর নির্মাণ শুরু হয়। ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইরকন ও এফকন্স যৌথভাবে বর্তমান ভৈরব প্রথম রেলওয়ে সেতুর ৪০ মিটার দক্ষিণ প্রান্তে আরও একটি রেল সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করে। প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী ২০১৬ সালের জুন মাসে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২০১৫ সালে ঘন ঘন হরতাল অবরোধের প্রভাব আর বর্ষা মৌসুমে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় সেতুটির নির্মাণ কাজ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যায়নি। প্রথম ধাপে নির্মাণ কাজের সময়সীমা ৬ মাস বাড়িয়ে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ভারতের কলকাতা থেকে নৌপথে বাংলাদেশের ভৈরবে সেতুর ‘স্প্যান’ আনার পথে নৌ-দুর্ঘটনার শিকার হয় একটি কার্গো। ফলে সেতুটির নির্মাণ কাজে বিলম্ব হয় এবং পরে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দ্বিতীয় দফায় আরও ৬ মাস প্রকল্পের...

গঙ্গাসাগর দিঘী - আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ছবি
গঙ্গাসাগর দিঘী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলায় অবস্থিত । এই দিঘীটিকে ঘিরে নানান লোককথা প্রচলিত আছে। এ দীঘির রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্বও। চমৎকার প্রাকৃতিক শোভা রয়েছে এই দিঘীর। সূর্যের সোনালি আলোয় চিকচিক করে দীঘির জল। দেখলেই মন ভরে যায়। গঙ্গাসাগর দীঘির ইতিহাস কথিত আছে, প্রায় পনেরশ বছর আগের ঘটনা। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজা বীর বিক্রম ঈশ্বরচন্দ্র মানিক্য বাহাদুর তৎকালীন সময়ে কর আদায় করতে আসতেন কুমিল্লায়। তখন এ অঞ্চলে পানীয় জলের সুব্যবস্থা ছিল না। এলাকার চারদিকের শুষ্ক পরিবেশ দেখে রাজা চিন্তিত হন। আশে পাশে কোন দীঘি নেই। তখন তিনি দীঘি খনন করার কথা ভাবলেন। যেমন ভাবনা তেমন কাজ, খনন করা হল বিশাল এই দীঘি। শুধু টলটলে পানির দীঘি নয়, এর উত্তরে রাজা বিশাল একটি ঘাটও তৈরি করে দিলেন। গঙ্গা দেবীর নামানুসারে দীঘির নাম দিলেন গঙ্গাসাগর।  এই দিঘীর সৃষ্টি নিয়ে আরো একটি কাহিনী প্রচলিত আছে। অতীতে নৌ-পথের গুরুত্ব যখন অধিক ছিল, তখন হাওড়া নদীর তীরবর্তী গঙ্গাসাগর ছিল মূলত আগরতলার নদী-বন্দরস্বরূপ। । গঙ্গাসাগরের পূর্বনাম ছিল রাজদরগঞ্জ বাজার। এ বাজার তৎকালীন সময়ের বিশিষ্ট ব্যাংক ‘দি এসোসিয়েটেড ব্যাংক লি. অফ ত্র...

শহীদ আব্দুল হালিম রেলওয়ে সেতু, আশুগঞ্জ | ভৈরব ১ম রেলওয়ে সেতু

ছবি
শহীদ আব্দুল হালিম রেলওয়ে সেতু, আশুগঞ্জ হচ্ছে  বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব ও আশুগঞ্জ উপজেলার মাঝে মেঘনা নদীর উপর অবস্থিত একটি রেলওয়ে সেতু। একই স্থানে পাশাপাশি দুটি রেলওয়ে সেতু রয়েছে। প্রথমটি হচ্ছে “শহীদ আব্দুল হালিম রেলওয়ে সেতু” বা “ভৈরব প্রথম রেলওয়ে সেতু” (পূর্বে “কিং জর্জ-ষষ্ঠ সেতুু” নামে পরিচিত ছিল), এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে “জিল্লুর রহমান রেলওয়ে সেতু” বা “ভৈরব দ্বিতীয় রেলওয়ে সেতু”। সেতু দুটির পাশেই সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু অবস্থিত।   ভৈরব প্রথম রেল সেতু  ১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ সরকারের অর্থায়নে প্রথম সেতুটির নির্মান কাজ শুরু হয় এবং ১৯৩৭ সালে শেষ হয়। সেতুটির উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী আবুল কাশেম ফজলুল হক। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের রাজা ষষ্ঠ জর্জের নামানুসারে এই সেতুর নাম 'কিং জর্জ ষষ্ঠ সেতুু' রাখা হয়। এই সেতু দিয়ে প্রথম মালবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয় ১৯৩৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর। ১৯৩৭ সালের ৬ ডিসেম্বর এর ওপর দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় সেতুটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে সেতুটি পুনঃনির্মান ক...

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অ্যান্ডারসন সেতুর ইতিহাস

ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অ্যান্ডারসন সেতুর ইতিহাস বলতে গেলে ১৯৫০ এর ১২ই ফেব্রুয়ারি অ্যান্ডারসন সেতুর ওপর পূর্ব পাকিস্তান প্রশাসনের মদতে বাঙালি হিন্দু তীর্থযাত্রীদের ওপর করা আক্রমণকে বুঝায়। পটভূমি মেঘনা নদীর ওপর তৈরি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব বাজার জংশন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ স্টেশনের মাঝে একমাত্র সংযোগকারী ১কিমি লম্বা সেতুটাই অ্যান্ডারসন সেতু। বর্তমানে একে ভৈরব সেতু বলা হয়। সেতুর ওপর একটাই মিটার গেজ রেললাইন আছে। ১৯৫০ এ এই সেতুটাই ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা এবং চট্টগ্রাম জেলার মাঝে রেলযোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল। ঘটনাবলী এই সেতুর ওপর একটা বিশেষ পদ্ধতিতে পরিকল্পনা করে পলায়নরত হিন্দুদের হত্যা করা হয়। আনসাররা সেতুর দুপ্রান্তে ভৈরব বাজার জংশন বা আশুগঞ্জ স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠে পড়তো। ট্রেনটা হাইজ্যাক করে ভেতর থেকে দরজা-জানালা বন্ধ করে দিতো। সম্পূর্ণভাবে সেতুর ওপর উঠে পড়লে চালক ট্রেনটা থামিয়ে দিতো। এরপর আনসাররা প্রত্যেক হিন্দুকে এক এক করে টেনে বের করে এনে তাদের হত্যা করে মৃতদেহটা সেতুর ওপর থেকে নদীর জলে ফেলে দিতো। তথাগত রায়ের মতে, এই হত্যাকাণ্ডটা সম্পূর্ণ পরিকল্পনা করেই করা...

ভৈরব রেলওয়ে সেতু, আশুগঞ্জ

ছবি
ভৈরব রেলওয়ে সেতু হচ্ছে  বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব ও আশুগঞ্জ   উপজেলার মাঝে মেঘনা নদীর উপর অবস্থিত একটি রেলওয়ে সেতু। একই স্থানে পাশাপাশি দুটি রেলওয়ে সেতু রয়েছে। প্রথমটি হচ্ছে “শহীদ আব্দুল হালিম রেলওয়ে সেতু” বা “ভৈরব প্রথম রেলওয়ে সেতু” (পূর্বে “কিং জর্জ-ষষ্ঠ সেতুু” নামে পরিচিত ছিল), এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে “জিল্লুর রহমান রেলওয়ে সেতু” বা “ভৈরব দ্বিতীয় রেলওয়ে সেতু”। সেতু দুটির পাশেই সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু অবস্থিত। ইতিহাস সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু , ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে মেঘনা নদীর উপর নির্মিত সেতু। সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু (ভৈরব সেতু নামেও পরিচিত) ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে মেঘনা নদীর উপর নির্মিত একটি সড়ক সেতু। এই সেতুটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল সিলেটের সাথে ঢাকার যোগাযোগ উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। এই সেতুটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অংশ। এই সেতুর পাশেই ভৈরব রেল সেতু অবস্থিত। ভৈরব সেতু মেঘনা নদীর উপর অবস্থিত। সেতুটির নির্মাণকাজ ১৯৯৯ সালে শুরু হয় ও ২০০২ সালে সম্পন্ন হয়। সেতু নির্মাণে ৬৩৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়। প্রথমে এই সেতুর নাম বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেত...