উলচাপাড়া জামে মসজিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

উলচাপাড়া মসজিদ। বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।


উলচাপাড়া জামে মসজিদ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার অধীনে উলচাপাড়া গ্রামে অবস্থিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। মসজিদটিতে প্রাপ্ত শিলালিপি থেকে অনুমান করা যায় সপ্তাদশ শতাব্দীতে অর্থাৎ ১৭২৭-২৮ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এটির প্রতিষ্ঠাতা পশ্চিম দেশীয় বনিক শাহ সৈয়দ মো: মুরাদ, যাকে মসজিদের পাশেই সমাহিত করা হয়েছে।

উলচাপাড়া জামে মসজিদ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার অধীনে উলচাপাড়া গ্রামে অবস্থিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অদূরেই উলচাপাড়া গ্রামে উঁচু একটি ভিত্তি বেদীর পশ্চিম প্রান্তে এই মসজিদ অবস্থিত। মসজিদটিকে উলচাপাড়া উত্তর পাড়া শাহী জামে মসজিদ নামেও পরিচিত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার অধীনে ‘উলচাপাড়া’ গ্রামে উলচাপাড়া মসজিদটি অবস্থিত।


বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধীনস্থ এই মসজিদটির পরিচালনায় আছে ‘বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর’এই মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা হলেন ‘শাহ সৈয়দ মোঃ মুরাদ’। তাঁকে মসজিদের পাশের কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। মসজিদটিতে অনেক শিলালিপি আছে, তা থেকে অনুমেয় ১১৪০ হিজরি বাংলা ১৭২৮ খ্রিস্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে।


উলচাপাড়া জামে মসজিদ

গম্বুজের কেন্দ্র থেকে নিচ পর্যন্ত রয়েছে খুব সুন্দর কারুকাজ। মসজিদের ভেতরের দেয়ালেও রয়েছে সুন্দর কারুকাজ। মসজিদের ভেতর একটি শিলালিপি পাওয়া গিয়েছিলো ফরাসী ভাষার, কিন্তু এর অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।


মসজিদের বিবরণ :

এই মসজিদটির আয়তন ৫২*৫৩ ফুট। এর ভেতরে ৪ ফুট পুরু দরজা রয়েছে। মসজিদের ৪ কোণে রয়েছে ৪টি মিনার এবং মসজিদটি ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট।


কিভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাতে পৌঁছানো যায়। এ ছাড়াও কমলাপুর/এয়ারপোর্টে থেকে ট্রেনে যেতে পারেন। উলচাপাড়া মসজিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার অধীনে উলচাপাড়া গ্রামে অবস্থিত হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থেকে রিক্সা করে যাওয়া যায়।

মন্তব্যসমূহ