আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড

আশুগঞ্জ ফার্টিরাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড ঢাকা শহর হতে ১১০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে এবং আশুগঞ্জ রেলষ্টেশন থেকে ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার, আশুগঞ্জ উপজেলায় ১৯৮১ সালে কারখানাটি স্থাপিত হয়। এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ৫,২৮,০০০ মেট্রিক টন।

আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড


আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার ও কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড হলো বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি সার উৎপাদন কোম্পানি। এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের আওতাধীন। আশুগঞ্জ সার কারখানা কলেজ এই কোম্পানির নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।


ইতিহাস

১৯৭৩ সালে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ নির্মাণ শুরু হয় এবং ১৯৮১ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যার পর সার কারখানার নাম করা হয় আশুগঞ্জ জিয়া সার কারখানা। ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিষ্ঠান থেকে জিয়ার নাম সরিয়ে "আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড" নামে পুনর্নামকরণ করে। এই উপলক্ষে আওয়ামী লীগ উদ্‌যাপন করলেও জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এর সমালোচনা করে।


২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শীতলীকরণ টাওয়ারের ত্রুটির কারণে কারখানা সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারখানায় একটি বিশেষায়িত তরল বর্জ্য শোধনাগার রয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল কর্পোরেশনের অধীনে থাকা ১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র চারটির নিজস্ব তরল বর্জ্য শোধনাগার রয়েছে। এর মধ্যে আশুগঞ্জ সার কারখানা অন্যতম।


সময়ের সাথে রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকীকরণের অভাবে আশুগঞ্জ সার কারখানার দৈনিক উৎপাদন ১৬ শত টন থেকে দৈনিক ১১ শত টনে নেমে এসেছে। ২০১০ সালে কারখানায় অনুপযুক্ত পরিবেশে সংরক্ষণের জন্য প্রায় ১০০ মিলিয়ন টাকার ইউরিয়া সার নষ্ট হয়ে যায়। কর্মীদের মতে প্রতি বছর একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সার রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় বা বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায়।

মন্তব্যসমূহ